* index * search * visitor center *

সময়ের ব্যবস্থাপনা

সম সত্যকে আবিষ্কারে
এনিয়া লুসিয়াস সেনেকা
রোমান ( খ্রিষ্টপূর্ব ৪-খৃষ্টাব্দ ৬৫)

প্রজ্ঞান,
তিনসুকিয়া মহাবিদ্যালয়

To read Bengali text, please
download the Avro Keyboard
or the font
SolaimanLipi

সময়ের ব্যস্থাপনার  কৌশলগুলোর  বিকাশ হলো গে টা যাত্রা। এই যাত্রা আমাদের এই  নির্দেশিকা সঙ্গে  আম্ভ হতে পারে । কিন্তু যাত্রাপথে দরকার পড়বে  অনুশীলন এবং আরো  কিছু পথ নির্দেশিকা

এই আলোচনাটা লক্ষ্য হলোকী করে সময়ের  ব্যহারতে হয়  সে সম্পর্কে তোমাকে আত্মসচেতন হতে সাহায্য করা তোমার বন্ধুবান্ধ, পরিবার এবং কাজকর্মের প্রেক্ষাপটে  এই লক্ষ্য তোমার  লেখাপড়ার কাজটিকে অনেক  সংহত, অগ্রাধিকা প্রদান এবং সফল হবার জন্যে টা সহায়ক হিসেবে কাজ করে

প্রথম তুমি  আমাদের  সময় ব্যস্থাপনা সম্পর্কিত  অনুশীলনীটি দিয়ে  আম্ভ করো
প্রতিদি
তুমি তোমার   সময় কীকরে ব্যয় করো ?

স্কুল বা কলেজের শিক্ষাকাল/সেমিষ্টাৰ সূচী অনুসারে লেখাপড়ার  সময় খণ্ডের ব্যবস্থা করো বা পরিকল্পনা তৈরি করো একবারে প্রায় ৫০ মিনিট হলে কি চলবে ? একনাগাড়ে কতটা সময় পড়ে গেলে তোমার ধর্য্যচ্যুতি ঘটে  বা তুমি হয়ে পড়ো? কিছু  কিছু শিক্ষার্থীর নানা কারণে ঘন ঘন  বিতি দরকার হতে পারে।  যে সময়টিতে তোমার মনে হয় তুমি অত্যন্ত  সৃজনশীল, সেরকম  সময়ে সময়খণ্ডগুলোকে  সুদৃঢ় করো, তার মানে তখনই পড়তে বসো ভোরের পাখি বা রাতের পেঁচার মতো।

সাপ্তাহিক পুনরীক্ষণ বা নবীকণ সূচীঃ তোমার ক্যালেণ্ডারটি  পুণরীক্ষণের জন্যে রোববার রাতের   বেলা খুব ভালো সময় হতে পারে । মনে রাখবে , সময়ের  শেষ সীমা তথা পরীক্ষা কাছে চেপে এলে তোমার সাপ্তাহিক ক্যালেণ্ডারখানাও সেভাবে গড়ে তুলতে হবে ।

নির্দিষ্ট কাজের অগ্রাধিকা
লেখাপড়া করবার বেলা সবচে কঠিন বিষয়টি বা কাজটি দিয়ে শুরু করো  । বেশি কঠিন পাঠ্যক্রমের জন্যে তোমার সফলতার পথটিকেও  নমনীয় করে নাও ।  তোমার  কণীয় কাজের (assignment) র যখনই কোনো  পরামর্শ পাবে, তখনই  সময়ের আগেই  প্রতিক্রিয়া সময় ঠিক করে রাখো । তামানে তুমি  এই প্রতিক্রিয়া সময়েরামর্শগুলো কাজেগাব বা কী করে কাজে লাগাবে  সে নিয়ে মোটামোটি কিছু একটা লিখে রাখো

প্রথম ধাপটি সম্পূর্ণ করো কিছু  এটা করে শেষ করো
তোমাকে যে কাজটি দেয়া হয়েছে তার একটা  (Assignment) রূরেখা সম্পূর্ণ বিকশিত হবার আগে  বিস্তৃতভাবে কাজটি   করতে যেও না উৎকৃষ্টতা ভালোর  শত্রু’—এই কথাটি, বিশেষ করে  এটা এসাইন্টমেন্টের শুরুর ক্ষেত্রে সত্য। নিজের ধারণাগুলোর একটি খসড়া প্রস্তুত করে নিয়ে তার থেকে এগিয়ে যাও।

স্কুল বা কলেজের  কা শেষ নাহওয়া পর্যন্ত যে সমস্ত কাজ  বা সময়সূচী পিছিয়ে নেয়া যেতে পারে , সেইগুলো পিছিয়ে দাও
অগ্রাধিকারের  অংশ হিসেবে কম জরুরী কাজগুলো সরিয়ে রাখো , অন্যকে করতে দাও , বা দেরি করো । পরীক্ষা জন্যে পুনঃপঠন একটা  খেলা  উপভোগ করার থেকে  বেশি  গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তদুপরীরীক্ষার চাপের থেকে মুক্ত হবার পরে যে খেলাটি খেলবে সেটি নিশ্চইয় বেশি উপভোগ্য হবে

মনোযোগ বাড়াবার জন্যে যেখানে  কোনো বাধাবিঘ্ন নেই সেরকম  বিকল্প জায়গাতে গিয়ে পড়তে বসো ।

তোমার অবসর সময়ের  সদ্ব্যহাৰ করোঃ
সেরকম  সময়গুলোর  কথা ভেবে বের করো যখন তুমি  অল্প হলেও লেখাপড়া করতে পারো । যেমন তুমি যখন কোথাও হাঁটছ বা বাসে করে যাচ্ছ তখন লেখাপড়ার  উপায় বের করো

শ্রেণীতে যাবার  প্রাকমুহূর্তে নোটবইএর  পাঠগুলোর উপর চোখ বুলাও  ।
শ্রেণী শেষ
হবার সঙ্গে সঙ্গেই বক্তৃতার নোটগুলো  ( Lecture Material) পুনরীক্ষণ করো
( পুন
রীক্ষণ ছাড়া  কথাগুলো  ২৪ ঘন্টা  ভেরে ভুলে যাবার সম্ভানা সবচে বেশি)

এ সম্পর্কে মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইনমেন্ট গণনা যন্ত্র ব্যহা রে দেখো ।
Assignment calculator

তোমার বিদ্যায়তনিক এবং  বিদ্যায়তনিক  প্রয়োজনগুলো  পূরণ  করবার মতো করে তোমার  সময়সূচী ঠিক করবার  উপায় বের  ক

কটি  ণীয় তালিকা (To Do List) প্রস্তুত করো
এই তালিকাটি  তোমাকে  টি  বিষয় শনাক্ত করা , সেই টিরার  যৌক্তিকতা , এগুলো  করে শেষ  করতে  একটা সময়রেখা বেঁধে ফেলতে সাহায্য করবে।   এখন একে ছেপে নিয়ে মনে করিয়ে দেবার জন্যে চোখে পড়বার মতো করে ঝুলিয়ে রাখার ব্যবস্থা করো।

দৈনিক/সাপ্তাহিক আঁচনিঃ 
কটি  কালানুক্রমিক দিনলিপিতে  বা তালিকা চিত্রে কারো সঙ্গে দেখা করবার  প্রতিশ্রুতি (Appointments), শ্রেণীগুলোর সময় এবং  সভা সমিতি ইত্যাদি  কথা লিখে  রাখ। সকাল বেলার  প্রথম কাজটি  হবে দিনের জন্যে  নির্দ্ধারিত কাজগুলোতে চোখ বুলিয়ে নেয়া তুমি  যে কালকের জন্যে পুরো  প্রস্তুত সেটি  জেনে নিয়ে তবে বিছানাতে যাও।

দীর্ঘকালিক পরিকল্পনা
কটি  মাসিক তালিকা চিত্র তৈরি করো  যাতে তুমি আগে থেকে  পরিকল্পনা করতে পারো । দীর্ঘকালিক  পরিকল্পনা আগে থেকে   গঠনমূলকভাবে সময়ের পরিকল্পনা করতে  স্মাক হিসেবে কাজ করবে  


Translation by Sushanta Kar, Executive Editor, Pragayan, Tinsukia College:
অনুবাদ করেছেন সুশান্ত কর , কার্যকরী সম্পাদক ,‘প্রজ্ঞান’ , তিনসুকিয়া মহাবিদ্যালয়

ওয়েব সাইট সম্পর্কেঃ জো ল্যাণ্ডসবার্জার ১৯৯৬ সন থেকে এই ‘স্টাডি গাইডস্ এ্যাণ্ড স্ট্র্যাটেজি’ ওয়েবসাইটটি তৈরি করে এর নবীকরণ করে যাচ্ছেন, এ নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন এবং এটির সম্পাদনা করে যাচ্ছেন । এটি এক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক সার্বজনীন সেবা। শিক্ষার্থীদের সাহায্য করবার জন্যে যেকোনো অবাণিজ্যিক উদ্যোগ থেকে কেউ যদি এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু গ্রহণ, বিতরণ , পূণর্মূদ্রণ ইত্যাদি করতে চান তার জন্যে অনুমতি দেয়া গেল । শুধু এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে যে এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর নিয়মিত নবীকরণ করা হয়ে থাকে । এ বিষয়ে আমরা আমাদের সাইট দর্শকদেরও স্বাগত জানাই । তাই যদি কোনো অংশ ইন্টারনেটে পুনরুপস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে , তবে আমাদের সঙ্গে লাইসেন্স চুক্তিপত্র করে নায়ে ভালো । আপনার সাইটে আমাদের সংযোগ উপস্থাপনের জন্যে কোনো অনুমতির দরকার নেই ।